খাদে থাকা ব্যাংক খাতেই বাজেটের সর্বগ্রাসী চাপ
৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ২৪টিই মূলধন সংকটে। খেলাপি ঋণ দেড় দশকে ২৬ গুণ বেড়ে ২২ হাজার কোটি থেকে প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকায় দাড়িয়েছে। তবুও এই ভঙ্গুর খাতের উপরই চাপছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘাটতির ভার।
The banking sector in Bangladesh, already burdened by a 26-fold surge in non-performing loans, now faces the added pressure of financing a record Tk 9.38 lakh crore budget for FY 2026-27. With revenue targets almost certain to fall short, analysts warn that excessive government borrowing from banks risks crowding out private investment and pushing the entire system toward collapse.
দেশের ব্যাংক খাতের অবস্থা নাজুক। খেলাপী ঋণের ভারে নুয়ে পড়েছে দেশের প্রায় প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক। এর উপর আসছে আগামী অর্থবছরের বাজেটের অর্থ জোগানের বিশাল চাপ। সবমিলিয়ে এক ভয়াবহ সংকটের দিকে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট প্রস্তাব করেছে বিএনপি সরকার। রাজস্ব আদায়ের অতি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াও এই বাজেটের সামগ্রিক ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি মেটাতে সরকার দেশীয় ব্যাংক খাত থেকে প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যদিও সরকার কেবল এই টাকা নিয়েই ক্ষান্ত হবে না। নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার বাইরেও বাকি পুরো অর্থ দেশীয় ব্যাংক খাত থেকেই ঋণ নেবে সরকার। অতীতে কখনোই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার দ্বারে কাছেও যেতে পারেনি বাংলাদেশ। পরে সেই ঘাটতি দেশীয় ব্যাংক থেকেই মেটাতে হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতি পূরণে যদি ব্যাংকিং খাত থেকে প্রয়োজনীয় ঋণের জোগান না মেলে, তাহলে সরকারের দেখানো উন্নয়ন বাজেটের রঙিন স্বপ্ন হয়তো মাঝপথেই ভেঙ্গে যাবে। ফলে এক উভয়সংকটের চোরাবালিতে আটকে পড়বে রাষ্ট্রযন্ত্র। এমনিতেই ইতিহাসের গভীরতম সংকটে থাকা রুগ্ন ব্যাংক খাতের অবস্থা বিপর্যস্ত। এই অবস্থায় বাজেটের এই বিশাল ও অতিরিক্ত ভার ব্যাংক খাত কি সইতে পারবে? নাকি ব্যাংক খাত বাজেটের অর্থ জোগান দিতে গিয়ে আরো অকার্যকর হয়ে পড়বে? এই প্রশ্নে কপালে চোখ তুলছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বাজেটের ঘাটতি পূরণে সরকারের ব্যাংক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা সামগ্রিক অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতকে এক চরম সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান দি ইনসাইটাকে বলেন, বাজেটের অর্থের জোগান দিতে গিয়ে ব্যাংকিং খাত থেকে বেসরকারি উদ্যোগগুলো মুখ থুবড়ে পড়ছে। সরকারকেই যদি সব টাকা দিয়ে দিতে হয়, তাহলে ব্যাক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান টাকা পাবে কিভাবে।
তিনি বলেন, এরইমধ্যে সরকার ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেয়ায় বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ স্থবির হয়ে পড়েছে। এজন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না এবং বেকারত্ব বাড়ছে। অন্যদিকে, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায়ও সম্ভব হচ্ছে না। যা সরকারকে পুনরায় ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরশীল হতে বাধ্য করছে। ব্যাংক খাত গত কয়েক বছর ধরে কোনোমতে খাদের কিনারে নয়, বরং সরাসরি ‘খাদে পড়ে আছে’। কোনোভাবেই খাদ থেকে উঠতেই পারছে না এটা। এর উপর যদি বাজেটের অর্থ জোগানের চাপ ব্যাংক খাতকে নিতে হয়, ভয়াবহ নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হবে।
তিনি আরো বলেন, কোনো পরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ ছাড়া এভাবে টাকা ছাপিয়ে এবং ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিয়ে বাজেট চালানো হলে ব্যাংক খাতটি সম্পূর্ণরূপে ‘ফোকলা’ হয়ে পড়বে
খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সরকার যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা অর্জন করা অসম্ভব। বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৬ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। রাজস্বের এই বড় ঘাটতি ও বৈদেশিক ঋণ কম আসার কারণে সরকারকে বাধ্য হয়ে প্রতি বছরই ব্যাংক থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি টাকা ধার করতে হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই (জুলাই-এপ্রিল) সরকার লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সবটুকু অর্থাৎ ১ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেলেছে। ফলে সংশোধিত বাজেটে ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা করতে হয়েছে। রাজস্ব কম হলে ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ধার করার এই প্রবণতা এখন একটি মারাত্মক ‘দুষ্টচক্রে’ পরিণত হয়েছে।
সরকার যখন নিজের প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংক থেকে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিচ্ছে, ঠিক তখন বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নেমে গেছে ইতিহাসের সর্বনিম্নে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটারি পলিসিতে বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থাকলেও বাস্তবে তা নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ৭ শতাংশে। অর্থনীতিবিদদের মতে, একই সীমিত তহবিল থেকে সরকার ও বেসরকারি খাত একসাথে প্রতিযোগিতা করলে সাধারণ উদ্যোক্তারা ঋণ পাবেন না। এতে নতুন কোনো বিনিয়োগ হবে না। কলকারখানা বাড়বে না এবং দেশে কর্মসংস্থান তৈরি পুরোপুরি থমকে যাবে।
খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ ও মূলধন সংকট
ব্যাংকিং খাতের এই রুগ্ন অবস্থার মূল কারণ হলো খেলাপি ঋণের ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ২০০৯ সালে যেখানে খেলাপি ঋণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬ সালের মার্চ শেষে তা প্রায় ২৬ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের প্রায় ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ।
বর্তমানে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ২৪টি ব্যাংকই ন্যূনতম মূলধন ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। অবস্থা এতটাই নাজুক যে, দেশের মাত্র ১০ থেকে ১২টি ব্যাংকের নতুন করে ঋণ দেয়ার মতো সক্ষমতা রয়েছে। রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর গড় খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের খেলাপির হার ৭৩ শতাংশ এবং বেসিক ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি। জনতা ব্যাংকের একার মূলধন ঘাটতিই ৫২ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। অন্যদিকে ইসলামি ব্যাংকগুলোর অবস্থাও চরম সংকটাপন্ন। সম্প্রতি দেশের বৃহত্তম ইসলামী ব্যাংক থেকে মাত্র ৭ দিনেই আস্থার সংকটে গ্রাহকদের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়ার ঘটনা সেই ইঙ্গিতই বহন করে।
অতিরিক্ত সুদের হার চাপ বাড়াবে ব্যবসার ওপর
পরিস্থিতি সামলাতে সরকার এক বিচিত্র নীতি গ্রহণ করেছে। একদিকে সরকার বাজেট মেটাতে ব্যাংকগুলো থেকে লাখো কোটি টাকা ঋণ নিতে চাচ্ছে। অন্যদিকে ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে উল্টো তাদের হাজার হাজার কোটি টাকা মূলধন দিতে হচ্ছে। গত দুই অর্থবছরে মূলধন পুনর্গঠনে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর ওপর ব্যাংক থেকে সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার ফলে বাজারে সুদের হার ও সামগ্রিক অর্থায়নের খরচ দ্বিগুণ অঙ্কে পৌঁছে যাবে। ফলে কোনো উদ্যোক্তা ঋণ পেলেও চড়া সুদের কারণে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারবেন না।
সঞ্চয়পত্রের লক্ষ্যমাত্রা কমলে চাপ পড়বে ব্যাংকেই
নতুন বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে সরকার। আগের বছরের ১২,৫০০ কোটি থেকে কমিয়ে ৮,৫০০ কোটি টাকায় আনা হচ্ছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদহার সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ। কিন্তু এর দুটি নেতিবাচক দিক আছে। প্রথমত, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অস্থিরতার কারণে যে নিম্নমধ্যবিত্ত ও অবসরপ্রাপ্তরা সঞ্চয়পত্রে আশ্রয় নিচ্ছিলেন, তাদের সুযোগ কমছে। দ্বিতীয়ত, এই শূন্যতাও ব্যাংক থেকে পূরণ করতে হবে- যা দুর্বল ব্যাংকের উপর চাপ আরও বাড়াবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেটের ঘাটতি মেটাতে গিয়ে রাজস্ব ব্যর্থতার দায় যেভাবে পুরো ব্যাংক খাতের ওপর চাপিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে আরও বেশি হিমশিম খাবে। যদি অবিলম্বে খেলাপি ঋণ আদায়, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকৃত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা না যায়- তাহলে আগামী অর্থবছরের বাজেটের এই সর্বগ্রাসী চাপ নিতে গিয়ে দেশের পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং অর্থনীতি এক ভয়াবহ অবনতির দিকে ধাবিত হবে।
সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ তৌফিক ইসলাম খান দি ইনসাইটাকে বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সরকারের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এর জন্য প্রায় ৪২ শতাংশ আয় বৃদ্ধি দরকার। অতীতে সর্বোচ্চ ২২ শতাংশের বেশি রাজস্ব আহরণ করতে পারেনি কোনো সরকার। তাই বর্তমানে এই লক্ষ্য ছোঁয়া খুবই কঠিন। লক্ষ্য পূরণ না হলে বিশাল আকারে বাজেট ঘাটতি দেখা দিতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি বা জিনিসপত্রের দাম বেশির কারণে মানুষ এখন সঞ্চয়পত্র কম কিনছে। আর বিদেশি ঋণও নির্দিষ্ট প্রকল্প ছাড়া পাওয়া যায় না। ফলে এই ঘাটতি মেটাতে সরকারকে বাধ্য হয়ে দেশের ব্যাংকগুলোর ওপর বেশি নির্ভর করতে হবে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংক থেকে সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নেয়ার সুযোগ কম। কারণ এতে জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে অতীতের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বলা যায়, সরকার খরচ কমাতে বাধ্য হবে। এর বড় কোপ পড়বে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ওপর। তিনি বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক খাতে বাজেট বাড়ানোর যে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবে রূপ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে ঘাটতি মেটাতে গিয়ে। তাই আগামী বছরের বাজেট সফল করার মূল ভিত্তি হলো যেকোনো উপায়ে কর বা রাজস্ব আদায় বাড়ানো।
সংকটের ভিন্ন রূপ দক্ষিণ এশিয়ায়, দেশের জন্য সতর্কবার্তা
বাংলাদেশের এই সংকট দক্ষিণ এশিয়ায় একেবারে নতুন নয়। পাকিস্তানে ২০০৮ সালে মাত্র ২৪ শতাংশ বাজেট ঘাটতি ব্যাংক থেকে মেটানো হতো। এখন সেটি ৮৩ শতাংশে পৌঁছেছে এবং ঋণ পরিশোধেই দেশটির রাজস্বের ৬০ শতাংশ চলে যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় রাষ্ট্রমালিকানাধীন দুটি ব্যাংক থেকে দশকের পর দশক ধরে ঘাটতি মেটানোর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ সংকুচিত হয় এবং ২০২২ সালে দেশটি রাষ্ট্রীয় ঋণখেলাপিতে পরিণত হয়, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দশকের মধ্যে প্রথম। ঐ সংকটের মূলে ছিল মাত্র ৮ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়া রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত। বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রের সাথে যার সাদৃশ্য উদ্বেগজনক।
তুলনামূলকভাবে ভারতের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশ কখনো স্পর্শ করেনি। নেপাল জিডিপির ২৫ শতাংশেরও বেশি রেমিট্যান্স এবং বিদেশি সাহায্যের উপর নির্ভর করে টিকে আছে, যদিও সেই মডেলও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। পুরো অঞ্চলজুড়ে একটি সাধারণ প্রবণতা স্পষ্ট, মাত্র ১.৪ থেকে ৭ শতাংশ নাগরিক আয়কর দেন এবং রাজনৈতিক সরকারগুলো দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের বদলে স্বল্পমেয়াদি জনতুষ্টির পথ বেছে নেয়। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা বলছে, ব্যাংক খাতের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা শেষ পর্যন্ত পুরো অর্থনীতিকে ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। বাংলাদেশ এখন সেই পথেই হাঁটছে।




